গেমিং মানে বিনোদন – চাপ নয়, আসক্তি নয়। Kikeya চায় আপনি উপভোগ করুন, নিরাপদে খেলুন এবং সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকুন।
Kikeya একটি বিনোদন প্ল্যাটফর্ম – অর্থ উপার্জনের নিশ্চিত পথ নয়। এই কথাটা মাথায় রেখে খেললে গেমিং সত্যিকার আনন্দ দেয়। কিন্তু যখন গেমিং বাধ্যতায় পরিণত হয়, তখন এটা পরিবার, স্বাস্থ্য এবং আর্থিক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
Kikeya-র দায়িত্বশীল খেলার নীতি শুধু কাগজে নয় – বাস্তবে প্রতিটি সদস্যের জন্য কাজ করে। আমরা চাই আপনি যখনই গেম খুলবেন, সেটা স্বাধীন ইচ্ছায় হোক – বাধ্যবাধকতায় নয়।
গেমিংকে সুস্থভাবে উপভোগ করার মানে হলো: বাজেট ঠিক করা, সময়সীমা মানা, হারলে পিছিয়ে আসতে জানা এবং প্রয়োজনে সাহায্য নেওয়া। এই পেজে Kikeya-র সমস্ত সরঞ্জাম ও সহায়তার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক আমানতের ঊর্ধ্বসীমা নিজেই ঠিক করুন। একবার সেট করলে সীমা কমানো তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়, বাড়াতে হলে ৭ দিনের অপেক্ষা করতে হয়।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে Kikeya স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানাবে এবং চাইলে সেশন থামিয়ে দেবে।
নির্দিষ্ট সময় পর একটি বার্তা দেখাবে – কতক্ষণ খেলেছেন, কত জিতেছেন বা হারিয়েছেন। এটা আপনাকে সচেতন রাখতে সাহায্য করে।
কিছুদিন বিরতি নিতে চাইলে ১ দিন থেকে ৬ সপ্তাহের কুলিং-অফ সেট করুন। এই সময় অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না।
দীর্ঘমেয়াদী বিরতির প্রয়োজন হলে ৩ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত স্ব-বর্জন করুন। এই সময়ে Kikeya আপনাকে কোনো প্রমোশনাল বার্তাও পাঠাবে না।
একটি গেম সেশনে সর্বোচ্চ কত টাকা বাজি ধরবেন সেটা আগেই নির্ধারণ করুন। সীমা পেরিয়ে গেলে Kikeya স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করবে।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে সৎভাবে জিজ্ঞেস করুন। যদি ৩ বা তার বেশি উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
গেমে হারার পরেও সেই টাকা ফেরত পেতে আরও বেশি বাজি ধরছেন?
গেমিং বন্ধ করতে চাইলেও থামাতে পারছেন না?
গেমিংয়ের কারণে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সময় কমে যাচ্ছে?
গেমিং না করতে পারলে অস্থির বা বিরক্ত লাগছে?
গেমিংয়ের জন্য ধার করা বা সংসারের টাকা ব্যবহার করছেন?
কাজ, ঘুম বা দৈনন্দিন কাজকে গেমিং বাধা দিচ্ছে?
কতটা খেলছেন সেটা পরিবারের কাছ থেকে লুকাচ্ছেন?
মাসে কতটুকু গেমিংয়ে খরচ করবেন তা সংসারের বাজেটের আগেই ঠিক করুন। সেই পরিমাণ ছাড়িয়ে গেলে থামুন।
রাতে বা বিরতির সময় খেলুন – কাজের সময়ে নয়। দিনে সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা আগেই ঠিক রাখুন।
হারলে পিছিয়ে আসুন। হারানো টাকা ফেরাতে চেষ্টা করলে সাধারণত আরও বেশি হারতে হয়।
পরিবার, বন্ধু, শখ – এগুলো গেমিংয়ের চেয়ে বেশি সময় পাওয়া উচিত। সুস্থ জীবনযাত্রাই সেরা গেমিং অভিজ্ঞতার ভিত্তি।
মানসিক চাপে বা মাথা ঠিকঠাক না থাকলে গেমিং থেকে দূরে থাকুন। এই অবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।
Kikeya নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই করে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে দেওয়া হয় না – কোনো ব্যতিক্রম নেই।
Kikeya-র সিস্টেম অস্বাভাবিক গেমিং প্যাটার্ন শনাক্ত করে। প্রয়োজনে সাপোর্ট টিম নিজেই সদস্যের সাথে যোগাযোগ করে।
দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে প্রশিক্ষিত সাপোর্ট দল ২৪/৭ প্রস্তুত। গোপনীয়তার সাথে যেকোনো সমস্যায় সাহায্য পাবেন।
প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত দায়িত্বশীল গেমিংয়ের বার্তা দেখানো হয়। সদস্যরা যেন সবসময় সচেতন থাকেন সেটাই লক্ষ্য।
কেউ স্ব-বর্জন করলে Kikeya সমস্ত প্রমোশনাল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এই সিদ্ধান্তকে Kikeya সম্পূর্ণ সম্মান করে।
Kikeya সদস্যদের গেমিং আসক্তি ও ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিত তথ্যমূলক উপকরণ প্রকাশ করে।
Kikeya-তে সীমা নির্ধারণ করা অত্যন্ত সহজ। মাত্র কয়েকটি ধাপে সমস্ত সুরক্ষা চালু করা যায়।
অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে এখানে যান।
উপরের ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
এখানে সমস্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম পাবেন।
ডিপোজিট, সেশন সময়, বাজি সীমা সব এক জায়গায়।
সীমা কমানো তাৎক্ষণিক কার্যকর, বাড়ানো ৭ দিন পরে।
আপনার পরিবারে অপ্রাপ্তবয়স্করা যেন Kikeya ব্যবহার না করে, সেটা নিশ্চিত করতে কিছু সহজ পদক্ষেপ নিন।
ফোন বা কম্পিউটারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালু করুন যেন শিশুরা গেমিং সাইটে প্রবেশ না করতে পারে।
আপনার Kikeya অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড শিশুদের নাগালে রাখবেন না।
পরিবারে অনলাইন গেমিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলুন। সচেতনতাই সেরা সুরক্ষা।
কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক Kikeya ব্যবহার করছে মনে হলে তাৎক্ষণিক সাপোর্টে জানান।
Kikeya-তে গেমিং মানে নিরাপদ বিনোদন। আজই যোগ দিন এবং নিজের সীমা নিজেই ঠিক করুন।